ঢাকাবুধবার , ১০ জুলাই ২০২৪
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলামিক
  7. কবিতা
  8. কৃষি সংবাদ
  9. ক্যাম্পাস
  10. খাদ্য ও পুষ্টি
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বেপরোয়া ফজলুল ইসলাম ডিজির নাম ব্যবহার করে রাজশাহীর ধান গবেষণায় লুটপাট

মোঃ সোহাগ আলী 
জুলাই ১০, ২০২৪ ১২:২২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মোঃ সোহাগ আলী বিশেষ প্রতিনিধিঃ- কিছুদিন ধরেই রাজশাহীর ধান গবেষনা ইনিষ্টিউট গরম। প্রজেক্টের কারসাজির মাধ্যমে অর্থ লোপাট, প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়ে অনিয়ম। গবেষণার ভেতরে নিজের খেয়াল খুশিমতো সরকারি অর্থ ব্যায়।

এমন ডজন অনিয়মের বোঝা মাথায় নিয়ে বে পরোয়া রাজশাহী ধান গবেষনার প্রধান ড. ফজলুল ইসলাম। সূত্র বলছে কিছুদিন পূর্বে রাজশাহী ধান গবেষনার প্রধান ফটক নির্মাণের সাথে ফজলুল ইসলামের নাম আসে।

সরকারি গাছ থেকে ডিজির নামে  আম পাড়া সহ একাধিক লোপাটের  অভিযোগের পরেও তিনি এখনো বহাল তার মধু মাখা পদটিতে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয়ের একটি সূত্র জানান ফজলুল ইসলামের অনিয়মের কোন বিষয় উঠলেই ডিজি স্যার ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন।

সুত্রটি বলেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে কেন তাকে বিতর্কিত কর্মস্থলে রাখা হয়েছে সেই বিষয় পরিস্কার নয়।

চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার আগে তিনি কিভাবে গাজিপুরের মত জায়গায় কয়েক কোটি টাকা মুল্যের বাড়ির মালিক বনে গেলেন এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে ধান গবেষণা জুড়ে।

তার জন্মস্থান পাবনাতে গড়েছেন অঢেল সম্পদ। ছেলে মেয়েদের বিলাস বহুল জীবন সবই ফজলুল ইসলামের চেরাগের কেরামতি।

রাজশাহী ধান গবেষনার একটি সূত্র বলছে তার নানা অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে  তিনি তার তিন বছর ধরে ব্যবহার করা সরকারি রেষ্ট হাউজ  ছেড়ে দিয়েছেন।

সেই সাথে শ্রমিকদের নানা ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন যেন তার অপকর্মের বিষয় গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে না পড়ে।

ফজলুল ইসলামের অনিয়মের কথা বলতে গিয়ে তার অফিসের একজন সাবেক কর্মকর্তা বলেন তিনি প্রতিষ্ঠান প্রধান হয়ে দুইশ টাকা থেকে সর্বোচ্চ অনিয়মে জড়িয়েছেন।

লুটপাট বাণিজ্য ঢাকতে অফিসের নিজস্ব জায়গায় বসিয়েছেন তার এলাকার নিকটতম একজন নারী কর্মচারি। যিনি তাকে সকল অনিয়মে সহায়তা করে থাকেন। রাজশাহীতে ফজলুর রহমান যোগদান করার পরে ধানগবেষনায় নানা অজুহাত দেখিয়ে  ভেলকি বাজি রশিদের মাধ্যমে সরকারের নিকট থেকে কতটাকা উত্তোলন করা হয়েছে সেগুলো তদন্তের দাবি তুলেন তিনি।

প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে সরকারি বীজ ক্রয় বন্টন না করে সেই বীজ উচ্চ মুল্যে ক্রয় করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বিভিন্ন প্রজেক্টের তদারকির অজুহাতে  নিয়ম বহির্ভূত পরিচালনা, প্রজেক্টের উপস্থিতি জাল স্বাক্ষর করে অর্থ লুটের ও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক ধান গবেষণার অপর আরো একটি সূত্র জানায় ফজলুল ইসলামের অনিয়মের বিষয় নিয়ে কেউ মন্তব্য করার আগেই তিনি নিজে ক্ষমতাশীল জানান  দিতে ডিজির নিকটতম ব্যক্তি হিসেবে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে থাকেন।

এছাড়াও প্রশাসনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তার নিকট আত্নীয় এমন দাপট দেখিয়ে ধান গবেষণা আতংকিত করে রাখেন। তার বিরুদ্ধে উঠা নানা অভিযোগের বিষয় নিয়ে জানতে তাকে ফোন করলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়েই ফোন কেটেদেন।

এই সাইটে  নিউজ তৈরির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।