ঢাকামঙ্গলবার , ২ জুলাই ২০২৪
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলামিক
  7. কবিতা
  8. কৃষি সংবাদ
  9. ক্যাম্পাস
  10. খাদ্য ও পুষ্টি
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কাজী মজিবুর রহমান ‘বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন’ এর সহ-সভাপতি মনোনীত

Parbatta 24
জুলাই ২, ২০২৪ ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বীর বাহাদুর বান্দরবানের ‘পিটুইটারি গ্রন্থি’, মস্তিষ্কের আকার কাজী মোঃ মজিবুর রহমান। কাজী মোঃ মজিবুর রহমান (বান্দরবানের নেতা মুজিব)কে ‘বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন’ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি পদে মনোনীত করা হয়েছে। সূত্র: বিবিএফ/কেন্দ্রীয় কমিটি/২০২৪-৪০৮, তারিখ: ২৫/৬/২০২৪।

কাজী মজিবুর রহমান বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এর আগে তিঁনি টানা ১৮ বছর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বান্দরবান জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। দুই মেয়াদে বান্দরবান জেলা পরিষদ এর সদস্য ছিলেন।

১৯৬৯ সাল থেকে কাজী মজিব বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়। কিশোর বয়স থেকে জাতিরজনকের আদর্শকে বুকে ধারণ করে; জাতিরজনক কন্যা শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে রাজ পথের লড়াকু হয়ে উঠেন।

খন্দকার মোস্তাকের উপর ভর করে ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট ভোর রাতে পাকিস্তানের পদলেহন করা স্বদেশীয় শত্রুদের রাইফেল-মেশিন গানের মুহুর্মুহ গুলিবর্ষণে জাতিরজনক স্ব পরিবারে শাহাদাত বরণ করেন।

এর পর বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার চেয়ে পেটোয়া বাহিনীর বন্দুকের নলের সামনে আন্দোলন সংগ্রামে বঙ্গের রাজপথে যারা সক্রিয় হন; যুবক কাজী মজিব সে সারির সারতি ছিলেন।

একটা জাতির নেতৃত্ব দিতে গিয়ে জীবন-যৌবন সুখ-শান্তি—সবকিছু বিসর্জন দিয়েছেন শেখ মুজিবুর রহমান। জাতি রাষ্ট্রের জন্ম দিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক অধিকারপ্রাপ্ত বাঙালি জাতির স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে যখন এগিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই স্বাধীনতাবিরোধী কুচক্রি মহল তাকে হত্যা করে সপরিবারে।

তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সেই সঙ্গে শেখ হাসিনার শিশুসন্তান সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও স্বামী পরমাণুবিজ্ঞানী ওয়াজেদ মিয়া বিদেশে অবস্থানের কারণে মহান আল্লাহ ঘাতকের হাত থেকে বাঁচিয়ে রাখেন।

১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর নতুন উদ্যমে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণের সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করেন বর্তমান সাহসী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার এই সংগ্রামের সারিতে সবার সাথে যুক্ত হন একজন যুবক কাজী মোঃ মজিবুর রহমান।

রাজনৈতিক মাঠে সক্রিয় ভূমিকা রেখেই জীবন জোয়াল টানতে টানতে ৮০’র দশকে পার্বত্য চট্টগ্রামে অবস্থান নেন। জীবনের সাথে পাহাড় প্রকৃতির বৈচিত্র মেলবন্ধনে আবদ্ধ হন একজন সাধারণ কাজী মুজিব।

রাজনীতির মাঠে, সকল শ্রেনির মানুষ, বিশেষ করে অধিকারহারা প্রান্তিক মানুষের কাছে অতি আপন ও নেতা হয়ে উঠেন একজন জনদরদী কাজী মোঃ মজিবুর রহমান। বান্দরবানে যিঁনি ‘নেতা মজিব’ হিসেবে পরিচিত।

১৯৯০’র স্বৈরশাসক, পরবর্তী ৯১ সালের পর থেকে দেশব্যপী তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের গনতন্ত্র বিরোধী আন্দোলনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্র ঘোষিত সকল আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে মিছিল মিটিংয়ের অগ্রভাগে সক্রিয় নেতৃত্ব দেন।

বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতা, কর্মী, সমর্থকদেরকে সাহস, ইস্পাত কঠিন দৃড় মনোবল যোগাতে কাজী মজিব পাইওনিয়ার হয়ে উঠেন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালে সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে জাতীয় পার্টির সাথে ঐক্যমতের সরকার গঠন করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। এরপর বান্দরবান জেলার ১ পৌরসভা পরবর্তীতে ২টি পৌরসভাসহ সাত উপজেলায় ওয়ার্ড পর্যায় থেকে শুরু করে আওয়ামী রাজনীতির ঘর গোছানোর কাজ করেন।

২০০১ সালে ৪ দলীয় জোট সরকার গঠনের পর আবারো বিরোধী শিবিরে অবস্থান নিয়ে নেতা মজিব রাজপথে ক্ষিপ্রতায় অগ্রসরমান ছিলো। ১/১১ এর মধ্যেদিয়ে জোট সরকারের অবসান হলে প্রশাসনের হাতে যায় ক্ষমতা। শুরু হয় দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়নের নিলনক্সা।

সে সময় যখন মহল বিশেষ সক্রিয় হয়ে ঘরবাড়ি ছাড়া করেন ত্যাগি নেতাদেরকে। সকল মোহমায়া লোভ লালসাকে পদদলিত করে জরুরী সরকারের জেল-জুলুমকে উপেক্ষা করে, সেই মাইনাস টু ফর্মুলার বিরুদ্ধে ঢাকাস্থ ইঞ্জিনিয়ার ইনিস্টিটিউটে আওয়ামী লীগের যে কজ’জন সেন্ট্রাল নেতা মিটিং করেছিলেন; তাদের মধ্যে কাজী মোঃ মজিবুর রহমান ছিলেন।

তৎকালীন সময়ে বলা যায় আওয়ামী লীগের কঠিন দুর্দিনে বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোঃ মজিবুর রহমান ওই মিটিংয়ে মাইনাস টু ফর্মুলার বিরুদ্ধে কঠোর সমালোনা ও জাতিরজনক কন্যার নেতৃত্বকে সুদৃড় করার পক্ষে নাতিদীর্ঘ সাহসী বক্তব্য রেখেছিলেন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০০৮ সালে জনগনের ভোটে প্রায় দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করে সংখ্যা গরিষ্ঠ হয়ে দেশের শাসন ভার গ্রহন করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। গোটা দেশে বস্তুগতভাবে অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে।

২০১৫ সালে কাজী মোঃ মজিবুর রহমান প্রথমে জেলা পরিষদ সদস্য ও তার কিছুদিন পর আওয়ামী লীগের বান্দরবান জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেন। সকল মান অভিমান আপন মনে চাপিয়ে রেখে নিজের হাতে গড়া প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীগের তৃণমুলের নেতা কর্মীদেরকে ভালোবেসে চলছেন।

বান্দরবানের মাটি ও মানুষের প্রাণের স্পন্দন প্রিয় নেতা বীর বাহাদুরকে কাছে দূরে থেকে অকুণ্ঠ সমর্থন দিচ্ছেন কাজী মজিব। দুই নেতার সম্পর্কের মাঝে বাঁধা বিপত্তির অনেক অন্তরায় সৃষ্টিকারী মহলের কোনো ষড়যন্ত্র শক্তি লাভ করতে পারে নাই। কারণ তাদের সম্পর্কের মধ্যে রাজনীতির মৌলিক চাহিদাগুলোর অমিল নেই।

রাজনীতেকে তারা অর্থের মানদন্ডে ঠাঁই দেন নাই। দেশ ও মানুষের উন্নয়ন, কল্যাণে নীতি আদর্শের জায়গায় তারা একই বৃন্তে শক্ত অবস্থানে আছেন। টানা সাতবারের নির্বাচিত সাংসদ বীর বাহাদুর বান্দরবানের ‘পিটুইটারি গ্রন্থি’; মস্তিষ্কের আকার কাজী মজিবুর রহমান। কবির ভাষায় বলতে হয়; বীর বাহাদুর ও কাজী মজিব ‘একই বৃন্তে দু’টি শাখা।

এই সাইটে  নিউজ তৈরির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।